একটি সমাজকে ধ্বংস
করতে হলে 'নৈতিকভাবে অবক্ষয়' ঘটাতে হয় । নৈতিকতাহীন সমাজে অরাজকতা
বিরাজমান, মানবিক গুনাগুন জীর্ণ । এভাবে বুদ্ধিদীপ্ত জ্ঞানের ক্ষয় ঘটে ।
সমাজের মানুষগুলো ভালোমন্দ যাচাই করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে । ফলে
বিপদগামীতার দিকে হতাশাকে জড়িয়ে ধরে ছুঁটে ।
একসময় এমনই ঘটেছিল পুরাতন বৈশালি নগরে । বৈশালি ছিল বজ্জীদের রাজধানী । বজ্জীরা মূলত তিন গোষ্ঠিতে বিভক্ত ছিল - লিচ্ছবি, মল্ল এবং শাক্য । তাবৎ বিশ্বে বৈশালি ছিল পুরাতন সমৃদ্ধ প্রজাতন্ত্র নগরগুলোর অন্যতম একটি । অজাতশত্রু বারবার আক্রমণ করা স্বত্তে ও জয়ী হতে না পারায় একদিন তার একমন্ত্রীকে গৌতম বুদ্ধের কাছে পাঠিয়ে ছিলেন । গৌতম বুদ্ধ রাজা অজাতশত্রুর মন্ত্রী ভস্সাকরকে বলেছিলেন যতদিন পর্যন্ত বর্জ্জীরা সাতটি অপরিহার্য নিয়মনীতি পালন করবে ততদিন তারা অপরাজেয় হয়ে থাকবে । সেগুলো;
১. মতামত ও পরামর্শের জন্য ঘন ঘন মিটিং,
২. কাজের মধ্যে ঐক্য,
৩. বিচারের হুকুম ও ঐতিহ্যের প্রতি আনুগত্য,
৪. গুরুজনের প্রতি সম্মান,
৫. নারীদের প্রতি সম্মান ও নারীত্ব রক্ষা,
৬. ঐতিহাসিক স্থান গুলোর পবিত্রতা রক্ষা, এবং
৭. জ্ঞানী গুণী ব্যক্তিদের সুরক্ষা
তবুও একদিন অজাতশত্রু চক্রান্তে অবতীর্ণ হয়ে বজ্জীবাসীদের মধ্যে ঐক্যতাকে ধ্বংস করে দেয় । একে অপরের প্রতি বিশ্বাসকে অবিশ্বাসে রুপ দেয় । গুরুজন, নারীদের প্রতি সম্মান ধসে পড়ে, ঐতিহ্যে হারিয়ে যায়, জ্ঞানীগুনিদের সুরক্ষা করতে ব্যর্থ হয় আর এভাবে অজাতশত্রু বৈশালী নগরিকে দখল করে ।
উপরোক্ত পুরাকালে সংগঠিত ঘটনাটি পার্বত্য চট্রগ্রামের জন্য খুবই সমসাময়িক এবং বাস্তবসম্মত । জুম্মজাতিসমূহের মধ্যে অনৈক্যের ফাঁটল ঘটাতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাশীলরা বারবার প্রচেষ্টা চালিয়েছে এবং এখনো চালিয়ে যাচ্ছে । জাতিসমূহের মধ্যে ভেদাভেদ সৃষ্টি করিয়ে দেয়ার লক্ষ্য জাতিদের মধ্যে পৃথক পৃথক সংসদ বানিয়ে দেয়া হয়েছে । যুবকদের মধ্যে নেশা ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে, অস্ত্র তুলে দেয়া হয়েছে । চক্রান্তে অনেক জ্ঞানীগুনি ব্যক্তিকে অকালে হত্যা করা হয়েছে । এভাবে জুম্মজাতিসমূহ নিজেরা নিজেদের মধ্যে দিনেদিনে অবিশ্বাসকে পুঞ্জিভূত করে চলেছে যার করুণ পরিণতি আজকের ভ্রাতৃসংঘাত । শোনা যাচ্ছে জুম্ম ছেলেরা ও আজকাল ধর্ষণে জড়িত হয়ে যাচ্ছে । ঐতিহ্যের প্রতি নেই আনুগত্য । সচেতন হতে না পারলে এভাবে দিনেদিনে নৈতিকতা ভূলন্ঠিত হয়ে অচিরে জাতি, সমাজের অস্তিত্ব চিরতরের জন্য হারিয়ে যাবে ।
একসময় এমনই ঘটেছিল পুরাতন বৈশালি নগরে । বৈশালি ছিল বজ্জীদের রাজধানী । বজ্জীরা মূলত তিন গোষ্ঠিতে বিভক্ত ছিল - লিচ্ছবি, মল্ল এবং শাক্য । তাবৎ বিশ্বে বৈশালি ছিল পুরাতন সমৃদ্ধ প্রজাতন্ত্র নগরগুলোর অন্যতম একটি । অজাতশত্রু বারবার আক্রমণ করা স্বত্তে ও জয়ী হতে না পারায় একদিন তার একমন্ত্রীকে গৌতম বুদ্ধের কাছে পাঠিয়ে ছিলেন । গৌতম বুদ্ধ রাজা অজাতশত্রুর মন্ত্রী ভস্সাকরকে বলেছিলেন যতদিন পর্যন্ত বর্জ্জীরা সাতটি অপরিহার্য নিয়মনীতি পালন করবে ততদিন তারা অপরাজেয় হয়ে থাকবে । সেগুলো;
১. মতামত ও পরামর্শের জন্য ঘন ঘন মিটিং,
২. কাজের মধ্যে ঐক্য,
৩. বিচারের হুকুম ও ঐতিহ্যের প্রতি আনুগত্য,
৪. গুরুজনের প্রতি সম্মান,
৫. নারীদের প্রতি সম্মান ও নারীত্ব রক্ষা,
৬. ঐতিহাসিক স্থান গুলোর পবিত্রতা রক্ষা, এবং
৭. জ্ঞানী গুণী ব্যক্তিদের সুরক্ষা
তবুও একদিন অজাতশত্রু চক্রান্তে অবতীর্ণ হয়ে বজ্জীবাসীদের মধ্যে ঐক্যতাকে ধ্বংস করে দেয় । একে অপরের প্রতি বিশ্বাসকে অবিশ্বাসে রুপ দেয় । গুরুজন, নারীদের প্রতি সম্মান ধসে পড়ে, ঐতিহ্যে হারিয়ে যায়, জ্ঞানীগুনিদের সুরক্ষা করতে ব্যর্থ হয় আর এভাবে অজাতশত্রু বৈশালী নগরিকে দখল করে ।
উপরোক্ত পুরাকালে সংগঠিত ঘটনাটি পার্বত্য চট্রগ্রামের জন্য খুবই সমসাময়িক এবং বাস্তবসম্মত । জুম্মজাতিসমূহের মধ্যে অনৈক্যের ফাঁটল ঘটাতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাশীলরা বারবার প্রচেষ্টা চালিয়েছে এবং এখনো চালিয়ে যাচ্ছে । জাতিসমূহের মধ্যে ভেদাভেদ সৃষ্টি করিয়ে দেয়ার লক্ষ্য জাতিদের মধ্যে পৃথক পৃথক সংসদ বানিয়ে দেয়া হয়েছে । যুবকদের মধ্যে নেশা ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে, অস্ত্র তুলে দেয়া হয়েছে । চক্রান্তে অনেক জ্ঞানীগুনি ব্যক্তিকে অকালে হত্যা করা হয়েছে । এভাবে জুম্মজাতিসমূহ নিজেরা নিজেদের মধ্যে দিনেদিনে অবিশ্বাসকে পুঞ্জিভূত করে চলেছে যার করুণ পরিণতি আজকের ভ্রাতৃসংঘাত । শোনা যাচ্ছে জুম্ম ছেলেরা ও আজকাল ধর্ষণে জড়িত হয়ে যাচ্ছে । ঐতিহ্যের প্রতি নেই আনুগত্য । সচেতন হতে না পারলে এভাবে দিনেদিনে নৈতিকতা ভূলন্ঠিত হয়ে অচিরে জাতি, সমাজের অস্তিত্ব চিরতরের জন্য হারিয়ে যাবে ।
No comments:
Post a Comment